টেস্ট জয়ের স্বপ্ন পূরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে মুশফিক ও তামিম

Please Share

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের নতুন আশার সঞ্চার করেছিল। কিন্তু ডারবানে সেই আশা রূপ নিল নিরাশায়। তাই পোর্ট এলিজাবেথে আবারও শূন্য থেকে শুরু টাইগারদের।

ফরম্যাট যাই হোক সম্প্রতি দলের প্রতিটা হার মাঠ ও মাঠের বাইরে জন্ম দেয় নানা আলোচনার। ব্যতিক্রম হয়নি এবারো। কিংসমিডে হারের পর ভেতরের খবর চলে আসে বাইরে। কোচ-অধিনায়কের ওপর দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের অতিরিক্ত খবরদারি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যাতে দলেও বাড়ছে অস্বস্তি।

গণমাধ্যমে নামও এসেছে সেই দুই সিনিয়রের। তারা বাংলাদেশের অজস্র জয়ের সারথী তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। দীর্ঘ এক বছর পর আবারো সাদা পোশাকে মাঠে নামার অপেক্ষায় তামিম ইকবাল। প্রথম টেস্টেই হয়তো তাকে মাঠে দেখা যেত। কিন্তু অসুস্থতার জন্য শেষ মুহূর্তে ছিটকে যান ম্যাচ থেকে।

তামিম ফিরছেন ওপেনিংয়ে সাদমানের জায়গায়। সম্ভাবনা জাগিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু করা সাদমান, ব্যাট হাতে ভুগছেন অনেক দিন হলো। শেষ ৫ টেস্টের ১০ ইনিংসে তার ব্যাট থেকে দল পেয়েছে মাত্র ৮৪ রান। যার কারণে ওপেনিং নিয়ে মাথাব্যথা কোনোভাবেই সারছে না।

তামিম ফিরলে নিঃসন্দেহে শক্তি বাড়বে বাংলাদেশের। ৬৪ টেস্ট খেলা এই ওপেনার এক বছর এই ফরম্যাটে অনুপস্থিত থাকলেও তার সবশেষ ইনিংসগুলো স্বস্তি দেবে। তামিম সবশেষ টেস্ট খেলেছে গত বছরের এপ্রিলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এর আগে খেলা তিন টেস্টে রীতিমতো রান উৎসব করেছেন। ৬ ইনিংসে ৭৫ গড়ে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৭৪ রান। কোনো সেঞ্চুরি না পেলেও চারটি ফিফটি হাঁকিয়েছেন। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচেও করেছেন ফিফটি। তামিমের টেস্ট প্রত্যাবর্তনটাও হোক রাজকীয় এমনটাই চাইবে সবাই।

তামিমের বন্ধু, দেশের হয়ে সবচেয়ে টেস্ট ম্যাচ ও রানের মালিক মুশফিকের ব্যাটেও রান খরা। ৫ হাজারি ক্লাব থেকে ১২০ রান দূরে থাকা মুশির ব্যাটে সেঞ্চুরি নেই দুই বছর পার হয়েছে। শেষ ৯ টেস্টে স্পর্শ করতে পারেন নি তিন অঙ্কের স্কোর। ফিফটি পেয়েছেন তিনটি। দেশের বাইরের রেকর্ডটা আরও হতাশার। ৫ টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব স্কোর মাত্র একটি।

ডারবান টেস্টের পর মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ডে এই দুজনই বেশ সমালোচিত। সতীর্থ ও বোর্ডের আস্থা ফেরাতে দুজনকে জবাবটা দিতে হবে ব্যাট হাতেই।